দুর্গা পুজো থেকে সর্বজনীন দুর্গোৎসব (ড. সৌমিত্র শেখর)
দুর্গা পুজো আজ উৎসবে রূপ নিয়েছে। এ উৎসব সবার! পুজোর শাস্ত্রীয় একটা দিক আছে। শাস্ত্রীয় গ্রন্থ থেকে তুলে দিই: ‘মহিষাসুর দেবগণকে স্বর্গ হইতে তাড়াইয়া দিয়া স্বর্গরাজ্য অধিকার করেন। দেবগণ বিপন্ন হইয়া ব্রহ্মার শরণ লন। ব্রহ্মা দেবতাদিগকে সঙ্গে করিয়া মহাদেবের নিকট উপস্থিত হন এবং মহেশ্বরের নিকট দেবতাদিগের দুর্দশা বর্ণন করেন। মহাদেব ক্রুদ্ধ হইলেন; তাঁহার বদন হইতে এক তেজ নির্গত হইল। ব্রহ্মাও অন্যান্য দেবগণের মুখ হইতে এক তেজোরাশি নির্গত হইল। সমবেত তেজোরাশি এক রমণী মূর্তি পরিগ্রহ করিল। দেবতাগণ স্ব স্ব আয়ুধ এই রমণীকে প্রদান করেন। এই দেবীই মহিষাসুরকে তিনবার নিধন করেন। প্রথমবার উগ্রচণ্ডারূপে, দ্বিতীয়বার ভদ্রকালীরূপে ও তৃতীয়বার দুর্গারূপে।’- বিভিন্ন শাস্ত্রীয় গ্রন্থে দুর্গার আবির্ভাবের কথা নানা ভাষায় বর্ণনা করা হলেও মূল বক্তব্য এ-ই। এই বক্তব্য অনুসারে কিন্তু দুর্গা ঐক্যের প্রতীক বা দুর্গা ঐক্যবদ্ধ মিলিতশক্তি। অন্যভাবে বলা যায়, ঐক্যের সাধনাই দুর্গার সাধনা। উৎসবও মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে। সে দিক থেকে দুর্গা পুজোর আর এক নামই তো উৎসব! বিস্তারিত:
|